Uncategorized

১৯ বছরে প্রেম , ১৯ দিনও প্রেম টেকেনি নাটোরের কিশোরের 💔

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আহাম্মাদপুর থানার এক কিশোর!নাম তার নাজমুল হাসান।অত্যন্ত শান্ত-শিষ্ট স্বভাবের এই ছেলের বয়স মাত্র ১৯ বছর।

ভেবেছিলো,চির জীবনটাই কাটিয়ে দেবে সিঙ্গেল থেকেই।কিন্তু হঠাতই জীবন মোড় নিলো অন্য দিকে।প্রেম করে বসে ছেলেটি…

অথচ ১৯ বছর বয়সের সেই ছেলেটির প্রেম ১৯ দিনই টেকেনি।

এই নিয়ে নাজমুল বেশ আশাহত।তার জীবনে যেনো শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এই ঘটনা নিয়ে সেই এলাকার সবাই শোকাগ্রস্ত।

অনেকের দাবী,আহাম্মেদপুরের ছেলেদের জীবনটাই এমন।তারা সাড়া জীবন সিঙ্গেল থাকার বেদনায় জ্বলে জ্বলে ছাড়খাড় হয়ে যায়।অথচ বাবা-মা বিয়েও দেয়না।

ঘটনাসূত্রে জানা যায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের আখালিয়া প্রবাসী সুমাইয়ার সাথে তার ব্রেক আপ হয়।প্রথম কথা বলায় সুমাইয়াকে ভালো লেগে যায় নাজমুলের।এর পর হয় প্রেম…

মাত্র ১০ দিনের মাথায় জমে যায় প্রেম।এমন কি প্রেমিকার সাথে কথা বলার জন্য সিলেটী ভাষা শেখার জন্য খরচ করতে হয়েছে কাড়ি-কাড়ি টাকা।

তবে হঠাতই বিকে বসে সুমাইয়া।নাজমুলকে ধোকা দিয়ে আরেক ফোর-টুয়েন্টি ছেলের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ে সুমাইয়া।মন ভেঙে পড়ে নাজমুলের।

নাজমুলের মা জানান,সুমাইয়ার সাথে তার ছেলের ব্রেক-আপের পর ৪ দিন না খাওয়া অবস্থায় ছিলেন নাজমুল। এই কয়দিন না খেয়ে নাজমুল প্রায় ১০ কেজি ওজন কমাতে সক্ষম হয়।

ভুক্তভোগী নাজমুলের কাছে মূল ঘটনা জানতে চাওয়া হলে সে কেবল একটি কথাই জানায়,”আমার কোনো লাভ-লস নাই ভাই!আমার জীবনটা লস!”

নাজমুলের বাবা জানান,এখনো মাঝে-মধ্যে রাতের বেলা নাজমুল সুমাইয়ার কথা ভেবে চিৎকার করে ওঠে!তার বুকের ভেতরকার দংশন কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছেনা…

এব্যাপারে সুমাইয়ার পরিবারের কাছ ফোন কলের মাধ্যমে মূল ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা মুখ খুলতে অস্বীকার করেন।

এলাকার মানুষের ভাষ্যমতে,”নাজমুল সাড়াটা জীবনই সিঙ্গেল ছিলো।হঠাতই সে সুমাইয়ার রোষানলে পড়ে প্রেমে জড়ায়!আর মূহুর্তেই তছনছ হয়ে যায় তার জীবন!”

নাজমুলের স্কুল শিক্ষক,সেফাতুল্লাহ সেফুদা জানান,”নাজমুল বরাবরই স্কুলের অন্যতম মেধাবী ছাত্র!প্রেম ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম!প্রেমের কবি শ্রেষ্ঠ কবি!তাই প্রেম করার অধিকার সে রাখে!সুমাইয়া তাকে এভাবে ধোকা দেবে,আমি ভাবতেও পারিনি,অতিসত্তর সুমাইয়াকে আমার কাছে আনার প্ল্যান করছি!”

— ইসতিয়াক ( Reporter )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button